
উন্মোচনের লক্ষে, সত্যের পক্ষে
rpcnews.com
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সংখ্যক হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন। শুক্রবার ভার্জিনিয়ার আর্লিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, আজ রাতেই ইরান ও তেহরানে মার্কিন হামলার সংখ্যা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে।
পিট হেগসেথ বলেন, "আজ ইরান এবং তেহরানের আকাশে আমেরিকার চালানো সর্বোচ্চ সংখ্যক হামলার দিন হবে।" তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে এখন পর্যন্ত ইরানের ১৫ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে, যা একটি বড় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। হেগসেথ বলেন, "আমরা তাদের গুরুত্বপূর্ণ সব সক্ষমতা ধ্বংস করার পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে যাচ্ছি।"
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও সম্প্রতি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানে কঠোর হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন। ট্রাম্পের হুমকির পর, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ ইরানে হামলার তীব্রতা আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন।
এ হামলা ইরানের বিরুদ্ধে চলমান অপারেশন 'এপিক ফিউরি'-এর অংশ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৬ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, এই হামলায় ৬০টি জাহাজ এবং ৩০টি মাইন বসানোর নৌযান ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের বৃহস্পতিবার প্রকাশিত নতুন তথ্য অনুযায়ী, ইরানের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে কমান্ড সেন্টার, অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি, সাবমেরিন এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এদিকে, ইসরাইলের সেনাবাহিনীও তেহরানে নতুন বিমান হামলা চালানোর ঘোষণা দিয়েছে। বিবিসি নিউজ ফার্সির বরাতে জানা যায়, তেহরানের অধিবাসীরা জানিয়েছে, হামলা ভোর পর্যন্ত তীব্রভাবে চলতে থাকে। এ হামলার পর কারাজ থেকেও একই ধরনের খবর সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, এবং বিশেষভাবে আরাকে শহরের বিভিন্ন অংশে বিমান হামলার ছবি প্রচারিত হয়েছে।
এই হামলা নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বৃদ্ধি পেলেও, ইরান সরকার এর বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।