
উন্মোচনের লক্ষে, সত্যের পক্ষে
rpcnews.com
জ্বালানির দাম বাড়তে থাকায় সাশ্রয়ী উপায়ে গাড়ি বা মোটরবাইক চালানোর প্রতি আগ্রহ বাড়ছে চালকদের মধ্যে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চালানোর কিছু সহজ অভ্যাস পরিবর্তন করলেই জ্বালানির খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। এতে যেমন ব্যয় কমে, তেমনি ইঞ্জিনের আয়ুও দীর্ঘ হয়।
হঠাৎ গতি বাড়ানো বা কমানো জ্বালানির অপচয়ের অন্যতম কারণ। তাই ধীরে ধীরে গতি বাড়ানো এবং মসৃণভাবে ব্রেক করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে অতিরিক্ত গতিতে না চালিয়ে মাঝারি ও স্থির গতিতে গাড়ি চালালে জ্বালানি কম খরচ হয় এবং ইঞ্জিনের ওপর চাপও কম পড়ে।
ট্রাফিক সিগন্যাল বা কোথাও দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকলে ইঞ্জিন বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অপ্রয়োজনীয়ভাবে ইঞ্জিন চালু রাখলে জ্বালানি অপচয় হয়। এছাড়া টায়ারের সঠিক চাপ বজায় রাখা জরুরি। টায়ারে বাতাস কম থাকলে গাড়ি চালাতে বেশি শক্তি লাগে, ফলে জ্বালানির ব্যবহারও বেড়ে যায়।
গাড়িতে অপ্রয়োজনীয় ভারী জিনিসপত্র না রাখার দিকেও গুরুত্ব দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। অতিরিক্ত ওজন জ্বালানির খরচ বাড়ায়। পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময় পরপর ইঞ্জিন, এয়ার ফিল্টারসহ অন্যান্য যন্ত্রাংশের সার্ভিসিং করানো প্রয়োজন, যাতে গাড়ির কার্যক্ষমতা ঠিক থাকে।
বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, অল্প দূরত্বে যাতায়াতের ক্ষেত্রে গাড়ি বা মোটরবাইক ব্যবহার না করে হাঁটা বা সাইকেল ব্যবহার করলে জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি পরিবেশ দূষণও কমানো সম্ভব।
সামান্য কিছু সচেতনতা ও অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে জ্বালানি সাশ্রয় সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।