মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে শেষ হলো শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার বিচার। দ্রুত তদন্ত, সাক্ষীদের উপস্থিতি এবং আদালতের কার্যক্রমে রায় ঘোষণা হওয়ায় সমাজ ও রাষ্ট্র স্বস্তি পেয়েছে। সামাজিক মাধ্যমও বলছে— ‘ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে।’
কিন্তু এই ইতিহাসের পাশে জন্ম নিয়েছে এক বড় প্রশ্ন— তাহলে বাকি মামলাগুলোতে কেন গতি নেই?
রামিসা হত্যার রায় ঘোষণার সময় আদালত নিজেই জানিয়েছেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীনে বর্তমানে ১৮০০-এরও বেশি মামলা বিচারাধীন। প্রতিটি মামলার পেছনে রয়েছে একটি করে ক্ষতবিক্ষত জীবন, একটি করে বিধ্বস্ত পরিবার এবং দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষমাণ ন্যায়বিচারের আর্তনাদ।
এই দ্রুত বিচারের নজির সমাজে আশার আলো জাগালেও, হাজারো মামলার দীর্ঘসূত্রিতা বিচার ব্যবস্থার কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও বাস্তবতার দিকে নতুন করে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।


